Bajaj Avenger 160 ABS Review in Bangla

Bajaj Avenger 160 ABS Review in Bangla

Bajaj Avenger 160 ABS BS6 ভার্সন এর বাইকটি ২০২০ সালের এপ্রিল মাসে ইন্ডিয়াতে লঞ্চ হলেও এতদিন বাংলাদেশের বাজারে বাইকটি লকডাউনের কারনে পাওয়া যায় নি। তবে সম্প্রতি বেশ কিছু বাইক আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান বাইকটি বাংলাদেশের বাজারে নিয়ে এসেছে। বাইকটি বাংলাদেশে মাত্র দুই লক্ষ তিন হাজার পাঁচশত টাকায় পাওয়া যাচ্ছে, যা ক্রুজার বাইক প্রেমিদের জন্য খুবই আনন্দের সংবাদ।

এই আর্টিকেল এর মাধ্যমে আপনারা জানতে পারবেন এই বাইকটির কিছু ভাল ও মন্দ দিক। যা আপনাদের বাইকটি সম্পর্কে জানতে সহায়তা করবে।

ভালো দিক

  • কম্ফোর্ট- এই বাইকটিতে বসতে খুবই আরামদায়ক। সুতরাং কোন বাইকার চাইলেই ঘন্টার পর ঘন্টা টানা বাইকটি চালিয়ে যেতে পারবে কোন ধরনের ব্যাক পেইন ছাড়াই। সুতরাং লং ট্যুরের জন্য এই বাইকটি যেকোন বাইকারের কাছেই কম্ফোর্টেবিলিটির জন্য পছন্দের শীর্ষে থাকবে।
  • ব্রেকিং- Bajaj Avenger 160 ABS BS6 ভার্সন এর বাইকটিতে রয়েছে সিংগেল চ্যানেল এবিএস, যা বাংলাদেশের রাস্তার জন্য খুবই প্রয়োজনীয় একটি ফিচার। সিংগেল চ্যানেল এবিএস থাকার কারনে বাইকটির সামনের চাকা স্কীড করার কোন ভয় নেই।
  • পাওয়ার – ১৬০সিসির এই বাইকটির ম্যাক্সিম্যাম পাওয়ার ১৫ps @ ৮৫০০ আরপিএম এবং ম্যাক্সিমাম টর্ক ১৩.৭ Nm @ ৭০০০ আরপিএম। যা ৪ সেকেন্ডেই কমপক্ষে ০ থেকে ৬০ কিলোমিটার গতি তুলতে সক্ষম।
  • গ্রাউন্ড ক্লিয়ারেন্স – এই বাইকটির রয়েছে ১৭৭ মিমি এর গ্রাউন্ড ক্লিয়ারেন্স। সুতরাং বাইকটি অফ রোডে চালানোর সময় বাইকটির চেসিসের নিচের অংশ ক্ষতিগ্রস্থ হওয়ার সম্ভাবনা খুবই কম।
  • লুক- ক্ল্যাসিক বাইক প্রেমীদের এই বাইকটির ক্রুজার লুক মনোযোগ আকর্ষন করবেই।

মন্দ দিক

  • বডি- বাইকটি গতানুগতিক নেকেড স্পোর্টস বা ক্যাফে রেইসার বাইকের তুলনায় অনেক বড় হওয়ায় শহরের রাস্তায় চালানোয় কিছুটা সমস্যা হয়। তবে কিছুদিন চালিয়ে অভ্যাস হয়ে গেলে আর সমস্যা হবার কথা নয়।
  • ব্রেকিং- বাইকটির ওয়েট এর বেশির ভাগ অংশ পেছনের দিকে হওয়া সত্ত্বেও পেছনে এবিএস ব্রেকিং সিস্টেমতো দুরের কথা নরমাল ডিস্ক ব্রেকও দেয়া হয় নি, এক্ষেত্রে দেয়া হয়েছে ড্রাম ব্রেক। ফলে পেছনের ব্রেক ধরলে চাকার এয়ার প্রেশার ঠিক না থাকলে স্কিডিং হয়ে দূর্ঘটনা ঘটার যথেষ্ট সম্ভাবনা রয়েছে।
  • মিটার- এই বাইকটিটে ট্যাকোমিটার দেয়া হয় নি। ফলে বাইকটি কত আরপিএম এ চালানো হচ্ছে তা দেখা যায় না।
  • পাওয়ার- এই বাইকটির পাওয়ার মুলত লো রেঞ্জ এবং মিড রেঞ্জ এই বুঝা যায়, ৭০কিলো/আ এর উপরে এটি আন্ডার পাওয়ার মনে হয়।
  • ওজন- ১৬০সিসি সেগমেন্টের বাইক হওয়া সত্ত্বেও এটির ওজন ১৫৬ কেজি, যা এই রেঞ্জের জন্য অনেক বেশি। এরফলে পাওয়ার টু ওয়েট রেশিও কমে যায়।

2 thoughts on “Bajaj Avenger 160 ABS Review in Bangla

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *